
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চায়, আইনের প্রয়োগ ঘটবে শুধু সন্ত্রাসীদের ওপর। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ সাপেক্ষে ফৌজদারি অপরাধের সঙ্গে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের ওপর আইনের প্রয়োগ ঘটবে, তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী তথা পুলিশ, র্যাব, বিজিবি এবং অন্য যারা আছে, কাউকেই গুলি করার কোনো অনুমতি ছিল না। সংবিধান এবং আইনের অধীনে তাদের কাজ করতে হয়েছে। তাই বলে আমি এটিও অস্বীকার করছি না, ক্ষেত্রবিশেষে কেউ কেউ মাঠে আইন ভাঙেনি। আমরা এটি তদন্ত করে তাদেরও বিচারের আওতায় আনব।’
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার আন্দোলনের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা দিয়েছে এবং তাদের আলাদা রেখেছে। সরকার কখনোই তাদের দোষারোপ করেনি। আমাদের সব বক্তব্যে যেগুলোকে আমরা দোষ দিয়েছি, তার একটিও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে নয়, প্রতিটিই সন্ত্রাসীদের উদ্দেশে। আমাদের সব আইনের প্রয়োগ একটিও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে নয়। প্রতিটি সন্ত্রাসীদের উদ্দেশে।’
তিনি আরো যোগ করেন, যারা সহিংসতায় মারা গেছে, তারা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। সব মৃত্যুর বিচার এ দেশ করবে, এ দেশের সরকার করবে এবং স্বাধীন বিচার বিভাগীয় কমিশনের মাধ্যমে করবে। প্রয়োজনে স্বচ্ছতার স্বার্থে বিদেশি অভিজ্ঞ ও পেশাদারদের সম্পৃক্ত করা হবে।






