
যুক্তরাজ্য ছাড়াও নিজের রিয়েল এস্টেট ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায়ও। সব মিলিয়ে তিনি পাঁচ শর বেশি বাড়ি কিনেছেন।
যুক্তরাজ্য ছাড়াও নিজের রিয়েল এস্টেট ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায়ও। সব মিলিয়ে তিনি পাঁচ শর বেশি বাড়ি কিনেছেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার দীর্ঘ অনুসন্ধানে বের হয়ে এসেছে সামান্য সরকারি বেতন পেয়েও ভিনদেশে কিভাবে সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন আওয়ামী লীগের সাবেক এই মন্ত্রী। গতকাল বুধবার আলজাজিরা অনুসন্ধানী এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
আলজাজিরা বলছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বেশ ভালো সখ্য ছিল সাইফুজ্জামান চৌধুরীর, যা তিনি নিজেই স্বীকার করে বলেছেন, ‘আমার বাবা শেখ হাসিনার খুব কাছের লোক ছিলেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরী ২০১৭ সালের দিকে সম্পত্তি কেনা বাড়িয়ে দেন।
কাতারভিত্তিক এই সংবাদমাধ্যম বলেছে, গত বছর বিনিয়োগকারীর ছদ্মবেশে আলজাজিরার সাংবাদিক সাইফুজ্জামানের ১৪ মিলিয়ন ডলারের বাড়িতে যান। ওই সময় ছদ্মবেশী সাংবাদিকদের সাইফুজ্জামান বড়াই করে জানান, তিনি কুমিরের চামড়ায় তৈরি জুতার ওপর হাজার হাজার ডলার খরচ করেন এবং লন্ডনের সবচেয়ে দামি দোকান থেকে ইতালিয়ান স্যুট তৈরি করে পরেন। এ ছাড়া ওই সময় লন্ডনের নিজের বাড়িও ঘুরিয়ে দেখান তিনি, যে বাড়িতে রয়েছে সিনেমা হল, জিম, ব্যক্তিগত এলিভেটর এবং নতুন রোলস-রয়েস গাড়ি রাখার নিরাপদ আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং এরিয়া।
সাইফুজ্জামান আলজাজিরার কাছে দাবি করেন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও আরব আমিরাতে নিজের বৈধ ব্যবসার মাধ্যমে এই সম্পদ কিনেছেন তিনি।
তবে অন্তর্বর্তী সরকার তাঁর বিরুদ্ধে এখন অর্থপাচারের অভিযোগ এনে তদন্ত শুরু করেছে। এরই মধ্যে তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ এবং তাঁর পরিবারের মালিকানাধীন ইউসিবিএল ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মুখে শেখ হাসিনা যখন ভারতে চলে যান, তখন সাইফুজ্জামানও দেশ ছেড়ে চলে গেছেন।